নিজস্ব প্রতিবেদক: শিক্ষার্থীদের মেধাবিকাশ, মানবকল্যাণ ও সামাজিক উন্নয়নে কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার প্রত্যয় নিয়ে মেধাবিকাশ ছাত্রকল্যাণ সংস্থা, সখিপুর, শরীয়তপুরের নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী পরিষদের পরিচিতি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর মিরপুর এলাকায় এ পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে নবনির্বাচিত সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যদের ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করে নেওয়া হয়।

সভায় সংগঠনের বিগত সভার সিদ্ধান্তসমূহ অনুমোদন করা হয়। একই সঙ্গে মানবকল্যাণে সংগঠনের কার্যক্রম আরও কার্যকরভাবে পরিচালনার বিষয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সভায় মেধাবী ও অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। এর অংশ হিসেবে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থী, প্রাথমিক বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন স্কুল-কলেজের ছাত্রীদের বৃত্তি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

এ ছাড়া কার্যনির্বাহী পরিষদ, উপদেষ্টা পরিষদ ও সম্মানিত সদস্যদের নির্দিষ্ট ফি জমা দিয়ে আজীবন সদস্য হওয়ার সুযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংগঠনের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন এবং ধাপে ধাপে সমগ্র শরীয়তপুর জেলায় মেধাবিকাশ পরিবার এর কার্যক্রম ছড়িয়ে দেওয়ার বিষয়েও সভায় আলোচনা হয়।

শিক্ষার্থী ও সমাজের কল্যাণে ভবিষ্যতে আরও বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পাশাপাশি শরীয়তপুরের প্রতিটি উপজেলায় সংগঠনের কার্যক্রম পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মেধাবিকাশ ছাত্রকল্যাণ সংস্থার সভাপতি নাজমুল ইসলাম। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান মাসুম।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা মোস্তফা মাহবুব বাবু ও জসীম উদ্দিন বেপারী। আরও উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার শফিকুল ইসলাম, মনিরুল ইসলাম, আলমগীর হোসেন, আল আমিন বেপারী ও আলমাছ বালা। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আরিফ দেওয়ান, ফয়ছাল আহমেদ ও রেদোয়ান বালা; সাংগঠনিক সম্পাদক তামজিদ সরদার নিনাদ ও বাচ্চু শেখ; সমাজকল্যাণ সম্পাদক জুনায়েদ সিদ্দিক এসআই; দপ্তর সম্পাদক সানজিদ গাজী; অর্থ সম্পাদক রাকিব হোসেন; বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির এবং ক্রীড়া সম্পাদক মিলন বেপারীসহ কার্যনির্বাহী পরিষদের সম্মানিত সদস্যরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বক্তারা বলেন, শুধু সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনা নয়, মেধাবী ও অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো এবং সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যাণে কার্যকর ভূমিকা রাখাই হবে মেধাবিকাশ ছাত্রকল্যাণ সংস্থার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।

তারা বলেন, শিক্ষার্থী ও সমাজের কল্যাণে সংগঠনকে আরও গতিশীল করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। এ জন্য শরীয়তপুরের প্রতিটি উপজেলায় মেধাবিকাশের কার্যক্রম সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

নবনির্বাচিত পরিষদের সদস্যরা আশা প্রকাশ করেন, সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মেধাবিকাশ ছাত্রকল্যাণ সংস্থা ভবিষ্যতে শিক্ষা, মানবকল্যাণ ও সামাজিক উন্নয়নে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email