
মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি: মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার শিবরামপুর ও খাররা এলাকায় মাদক ও চুরির অভিযোগে স্বপন (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ সময় তার কাছ থেকে ৮ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে খাররা এলাকার একটি বিলের মধ্যে থাকা তার কথিত ডেরা থেকে বিভিন্ন কলাবাগান থেকে চুরি করা পাঁচ ছড়া কলা উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার স্বপন খাররা এলাকার বাসিন্দা। তিনি আব্দুল আজিজ ও মনোয়ারা বেগমের ছেলে। পুলিশের দাবি, স্বপনের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। তিনি শিবরামপুর ও খাররা এলাকার বিভিন্ন বাগান থেকে কলা, পেঁপেসহ বিভিন্ন পুকুর থেকে মাছ চুরির সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শিবরামপুর ও খাররা এলাকায় মাদক ও কলা চুরির উপদ্রব বেড়ে যাওয়ার অভিযোগের পর মুন্সিগঞ্জের পুলিশ সুপারের দিকনির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে নেতৃত্ব দেন ডিবির এসআই (নিঃ) আবুল কালাম আজাদ, এসআই (নিঃ) মো. রেজাউল কাজী ও এএসআই (নিঃ) মাহাবুর রহমান।
গত ২৮ আগস্ট দুপুর সাড়ে ২টার দিকে শিবরামপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে স্বপনকে আটক করা হয়। এ সময় তল্লাশি করে তার কাছ থেকে ৮ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে পুলিশের কাছে তিনি এলাকায় কলা চুরির বিষয়ে তথ্য দেন বলে জানিয়েছে ডিবি। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ওই দিন সন্ধ্যায় শিবরামপুর ও খাররা এলাকার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হয়। একপর্যায়ে খাররা এলাকার একটি বিলের মধ্যে স্বপনের কথিত ডেরায় অভিযান চালিয়ে তার দেখানো স্থান থেকে বিভিন্ন কলাবাগান থেকে চুরি করা পাঁচ ছড়া কলা উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ আরও জানায়, উদ্ধার করা কলা ও গ্রেপ্তার স্বপনকে নিয়ে ফেরার সময় তিনি পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় বিলের কাদা-পানির মধ্যে পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে তার ধস্তাধস্তি হয়। এতে স্বপন ও অভিযান পরিচালনাকারী পুলিশ সদস্যরা কাদামাটিতে মাখামাখি হয়ে যান। পরে পুলিশ তাকে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে থানায় নিয়ে যায়।
ডিবির দাবি, গ্রেপ্তার স্বপন দীর্ঘদিন ধরে শিবরামপুর ও খাররা এলাকার বিভিন্ন বাগান থেকে কলা ও পেঁপে এবং বিভিন্ন পুকুর থেকে মাছ চুরির সঙ্গে জড়িত। তার বিরুদ্ধে আগে থেকেই একাধিক মামলা রয়েছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।
এ ঘটনায় স্বপনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। একই সঙ্গে উদ্ধার করা কলার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট অভিযোগ তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।














