
স্টাফ রিপোর্টার: বাংলাদেশ তাঁতবোর্ডের উদ্যোগে ও বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় রাজধানীর বেঙ্গল শিল্পালয়ে রোববার ১০ দিনব্যাপী (৮-১৭মার্চ) তাঁতশিল্প মেলার উদ্বোধন করেন বস্ত্র ও পাট,শিল্প এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
উদ্বোধনের পর তিনি বলেন,’ তাঁত মেলার প্রতিটা পণ্য বেশ সম্ভাবনা আছে এজন্য উন্নত মার্কেটিং, বিপণন খুব জরুরি। সামনে সসংশ্লিষ্টদের নিয়ে কিভাবে উৎপাদন খরচ কমানো যায়, উপকরণগুলি সহজলভ্য করা যায় তা নিয়ে কাজ করবো। মসলিন, জামদানী উঁচু মূল্যের না হয় তাহলে টিকবে না। বস্ত্রখাতের হারানো ঐতিহ্য দেশ ছাপিয়ে বিশ্বের বুঁকে ফেরাতে আমরা কাজ করবো যা আগামীতে প্রতিফলিত হবে। ‘
বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের তাঁত শিল্পের ইতিহাস বেশ পুরানো। ঐতিহ্যপূর্ণ তাঁত শিল্পের সাথে প্রায় ১৫ লক্ষ লোক জড়ানো। গ্রামীণ কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে তাঁত শিল্পের অবস্থান দ্বিতীয় আর বৈদেশিক রপ্তানির ক্ষেত্রে তাঁত খাতের অবদান প্রায় ২.৬%। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় সরকার ‘সবার আগে বাংলাদেশ ‘ দর্শন নিয়ে কুটিরশিল্প ও গ্রামীন অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে কাজ করছে।’
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি’র বক্তব্যে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় প্রতিমন্ত্রী মোঃ শরীফুল আলম, এমপি বলেন, ‘ সরকার উচ্চ আয়ের দেশ গঠনে তাঁতশিল্পের বিকাশে বাংলাদেশ তাঁতবোর্ড ভূমিকা রাখছে। তাঁতখাতে উৎপাদিত বস্ত্র এ দেশের বস্ত্র চাহিদার প্রায় ৪৫ ভাগ পূরণ করে থাকে। এ শিল্পের সমৃদ্ধির লক্ষ্যে উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ ও ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম সংযুক্ত করা লাগবে। ”
বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব বিলকিস জাহান রিমি সভাপতির বক্তব্যে বস্ত্রখাতের সমস্যা ও সমাধানের বিভিন্ন দিক নিয়ে বলেন। তিনি আধুনিক প্রযুক্তি ও যুগোপযোগী রুচির সাথে সামঞ্জস্য রেখে এর পণ্যগুলো বিকশিত করার কথা উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানের স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলাদেশ তাঁতবোর্ডের চেয়ারম্যান আবু আহমদ ছিদ্দীকী’র পক্ষে তাঁতবোর্ডের সদস্য মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।
বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এবং প্রতিমন্ত্রী মো: শরীফুল আলম উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে মেলার সবগুলো স্টল পরিদর্শন করেন এবং উদ্যোক্তাদের সাথে মতবিনিময় করেন দেন। এসময় বস্ত্র ও পাট সচিব বিলকিস জাহান রিমিসহ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ তাঁতবোর্ডের সদস্য দেবাশীষ নাগ,প্রকল্প পরিচালক সুকুমার চন্দ্র সাহাসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, আগত দর্শনার্থীবৃন্দ এবং তাঁতি প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।














